জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই কৃষির খোঁজে ইসলামপুরে কর্মশালা
ছবি : বাংলা সংযোগ
পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে কৃষিকে কীভাবে আরও টেকসই ও লাভজনক করা যায়, তা নিয়ে জামালপুরের ইসলামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশেষ কর্মশালা। ‘উত্তম কৃষি চর্চা ও ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার’ শীর্ষক এই আয়োজনে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ইসলামপুর উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের হলরুমে দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। মূলত ‘জেসমিন’ (GESMIN) প্রকল্পের আওতায় উত্তম কৃষি চর্চা (গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস) এবং জলবায়ু-স্মার্ট কৃষির মূল অনুশীলনগুলো চিহ্নিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আয়োজকেরা জানান, অস্ট্রেলিয়া সরকারের অর্থায়নে এবং অস্ট্রেলিয়ান এনজিও কো-অপারেশন প্রোগ্রামের (এএনসিপি) অধীনে জেসমিন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে অংশীদার হিসেবে যৌথভাবে কাজ করছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন সংঘ।
কর্মশালায় কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ ছাড়া রাসায়নিক সার ও কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণের সঠিক ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব উপায়ে উৎপাদন বাড়ানো এবং বদলে যাওয়া আবহাওয়ার সঙ্গে কৃষিকে মানিয়ে নেওয়ার নানা আধুনিক কৌশল নিয়ে অংশীজনদের মধ্যে মতবিনিময় করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রজব আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক পিকন কুমার সাহা, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) এ এল এম রেজুয়ান এবং ইসলামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল ফয়সাল।
এ ছাড়া মেলান্দহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুর রউফ, জামালপুর মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আ খ ম মোর্শেদুর রহমান, ইসলামপুরের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শামীম আল মামুন, জেসমিন প্রকল্পের কৃষি বিশেষজ্ঞ পরিমল সরকার ও উপজেলা সমন্বয়কারী বিজন কুমার দেবসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।
কর্মশালায় বিভিন্ন বেসরকারি কৃষি ও বীজ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, কৃষক উৎপাদক দলের সদস্য এবং কৃষি খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।