ঘটকের ফোন নম্বর খোঁজার আগে যা জানা দরকার
ছবি: সংগৃহীত
বিয়ের কথা উঠলেই অনেক পরিবার প্রথমে খোঁজেন পরিচিত এলাকার কোনো ঘটকের ফোন নম্বর। কিন্তু নম্বর হাতে পাওয়ার পর যে প্রক্রিয়াটা শুরু হয়, তাতে নিজের নিয়ন্ত্রণ কতটা থাকে, সেই প্রশ্নটা অনেকেই পরে গিয়ে ভাবেন।
ফোন নম্বর দেওয়ার পর কী হয়
একজন ঘটককে ফোন নম্বর ও বায়োডাটা দেওয়া মানে সেটা শুধু তার কাছেই থেকে যায় না। তিনি নিজের নেটওয়ার্কে থাকা একাধিক পরিবারের সাথে সেই তথ্য শেয়ার করেন, প্রায়ই সম্মতি না নিয়েই। ফলাফল, অচেনা নম্বর থেকে কল আসতে থাকে, কার কাছে বায়োডাটা পৌঁছেছে তার কোনো হিসাব থাকে না।
কেন এই পদ্ধতি নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছে
রেজিস্ট্রেশন ফি, সাকসেস ফি মিলিয়ে খরচের একটা দিক আছে ঠিকই, তবে বড় সমস্যা প্রাইভেসি নিয়ে। ফোন নম্বর একবার ছড়িয়ে গেলে সেটা ফিরিয়ে আনার উপায় থাকে না। বিশেষ করে মেয়েদের পরিবার এই ঝুঁকি নিয়ে বেশি সতর্ক থাকেন।
বিকল্প কী হতে পারে
এই সমস্যা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছে ফোন নম্বর ছাড়াই বায়োডাটা যাচাই করার সুযোগ দেওয়া প্ল্যাটফর্ম নো-ঘটক। এখানে বায়োডাটা দেখা যায় সরাসরি, আর ফোন নম্বর তখনই প্রকাশ পায় যখন নিজে সেই অনুরোধ অনুমোদন করেন। ফলে কার হাতে যোগাযোগের তথ্য যাচ্ছে, সেই নিয়ন্ত্রণ থেকে যায় নিজের কাছেই।
এতে ঘটকের ভূমিকা পুরোপুরি বাদ যাচ্ছে এমন না, বরং যারা মধ্যস্থতা ছাড়াই নিজে থেকে খোঁজ শুরু করতে চান, তাদের জন্য একটা বাড়তি পথ তৈরি হয়েছে। ঘটকের নম্বর খোঁজার আগে তাই একবার ভেবে দেখা যেতে পারে, তথ্যটা ঠিক কার কার হাতে যেতে পারে, সেটা।