বিজ্ঞাপন
অর্থনীতি

ওয়ালটন হাই-টেকের লেনদেন বন্ধ

বাংলা সংযোগ ডেস্ক

Last Update :
Published :
ওয়ালটন হাই-টেকের লেনদেন বন্ধ

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির শেয়ার লেনদেন আগামীকাল বন্ধ থাকবে। মূলত লভ্যাংশ-সংক্রান্ত ‘রেকর্ড ডেট’ (নির্ধারিত দিন) থাকার কারণে কাল কোম্পানিটির শেয়ারের কোনো হাতবদল হবে না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কিছুটা কমেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৯ পয়সায়। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২০ টাকা ৯০ পয়সা।

আয় কমলেও কোম্পানিটির সম্পদের ভিত্তি বেশ মজবুত। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৬৬ টাকা ৮০ পয়সায়।

এর আগে ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের জন্য ওয়ালটনের পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের ১৭৫ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ বোনাস (স্টক) লভ্যাংশ প্রদান করে। আলোচ্য বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৩৪ টাকা ২২ পয়সা, যা এর আগের বছর ছিল ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ৩৯৯ টাকা ৭৪ পয়সা।

এছাড়া ২০২৩-২৪ হিসাব বছরেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩৫০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। সে বছর ওয়ালটনের ইপিএস বড় লাফ দিয়ে ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সায় উন্নীত হয়, যা ২০২২-২৩ বছরে ছিল ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা।

এরও আগে ২০২২-২৩ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ ও উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ওয়ালটনের পর্ষদ।

২০২০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ৩৩৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা। আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী এই কোম্পানিটির রিজার্ভে রয়েছে ১১ হাজার ৩৭৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৩ কোটি ৩২ লাখ ২১ হাজার ১৭৭টি। এর সিংহভাগ বা ৭১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শেয়ারই ধরে রেখেছেন উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে মাত্র দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।