বিজ্ঞাপন
শিক্ষা

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবমে লিখিত পরীক্ষা : ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ

বাংলা সংযোগ ডেস্ক

Published :
প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবমে লিখিত পরীক্ষা : ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ

ছবি : বাংলা সংযোগ

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার প্রথম শ্রেণিতে কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির শূন্য আসনগুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির বদলে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। গতকাল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে।

নীতিমালায় প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের শর্ত, অন্যান্য শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন ও সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

প্রথম শ্রেণিতে আবেদন ও লটারি
প্রকাশিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবে। তবে কোনো বিদ্যালয়ের ডাবল শিফটে (প্রভাতি ও দিবা) আবেদন করলে, সেটি দুটি পছন্দ হিসেবে গণ্য হবে। কোনো শিক্ষার্থী একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে তার সবগুলো আবেদনই বাতিল বলে গণ্য হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে এই ডিজিটাল লটারির যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে লটারি কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, লটারির মাধ্যমে নির্বাচিতদের পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ (ওয়েটিং) পরীক্ষার্থীর তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। নির্বাচিতরা নির্ধারিত সময়ে ভর্তি না হলে এই অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।

দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা
প্রথম শ্রেণি বাদে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির শূন্য আসনগুলোতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। এক্ষেত্রেও মূল মেধা তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূল তালিকা থেকে কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে আসন পূরণ করতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন ও সময়
দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা হবে ৫০ নম্বরের। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে। এই পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীরা সময় পাবে ১ ঘণ্টা।

অন্যদিকে, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর থাকবে। এই পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ঘণ্টা।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা নিজ নিজ বিদ্যালয়ের শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। এ ছাড়া ভর্তি কমিটি জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারের ব্যবস্থা করবে।

লামিয়া তমা / বাংলা সংযোগ