বিজ্ঞাপন
খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২–০ গোলে জিতে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র

স্পোর্টস ডেস্ক

Published :
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২–০ গোলে জিতে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ঘরের মাঠের চেনা গ্যালারিতে দারুণ এক জয় তুলে নিল সহস্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র সিয়াটলের লুমেন ফিল্ডে শুক্রবার রাতে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব (রাউন্ড অব ৩২) নিশ্চিত করেছে মাওরিসিও পচেত্তিনোর দল। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল তারা।


টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ডি’ গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৯৩০ সালের উদ্বোধনী আসরের পর এই প্রথম নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের কীর্তি গড়ল আমেরিকানরা। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে তুরস্ককে হারানো অস্ট্রেলিয়া ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।


পায়ের পেশির চোটের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তারকা ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক । তবে তাঁর অনুপস্থিতি ম্যাচে বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। ম্যাচের শুরু থেকেই গতিময় ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় স্বাগতিকেরা।


ম্যাচের ১১তম মিনিটেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় তারা। বাঁ দিক দিয়ে ফোলারিন বালোগুনের বাড়ানো ক্রসের বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার সেন্টারব্যাক ক্যামেরন বার্জেস। আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে সকারুরা, তবে মার্কিন রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় সফল হতে পারেনি তারা।


প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে যুক্তরাষ্ট্র ৪৩তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে বল পান সের্হেনিও দেস্ত। বক্সের প্রান্ত থেকে তাঁর নেওয়া শট প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে ওপরে উঠে গেলে চমৎকার হেডে গোল করেন ২১ বছর বয়সী তরুণ ডিফেন্ডার অ্যালেক্স ফ্রিম্যান। শুরুতে অফসাইডের বাঁশি বাজলেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পরীক্ষার পর গোলটি বহাল থাকে। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র।


দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান কমানোর জন্য অস্ট্রেলিয়া কিছু আক্রমণ চালালেও যুক্তরাষ্ট্রের জমাট ডিফেন্স ভাঙা সম্ভব হয়নি। ফলে ২-০ গোলের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পচেত্তিনোর শিষ্যরা।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আগামী ২৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে তুরস্কের মুখোমুখি হবে যুক্তরাষ্ট্র। আর অন্যদিকে নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে একই দিন প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে অস্ট্রেলিয়া।